ভারত ভ্রমণে আসছেন? বন্দরে নামার আগে বিমানে বসে আর কলম-কাগজ নিয়ে ছোটাছুটি করতে হবে না। ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ভারতের সমস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে ডিজিটাল ই-অ্যারাইভাল কার্ড। পুরোনো কাগজের ডিসঅ্যামবার্কেশন (Disembarkation) ফর্ম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
কী এই ই-অ্যারাইভাল কার্ড?
ভিন দেশ থেকে ভারতে আসা যাত্রীদের ইমিগ্রেশন বা অভিবাসনে সুবিধার জন্য বন্দরে নামার আগেই একটি ফর্ম কাগজ-কলমে ফিলআপ করতে হতো। কিন্তু এপ্রিল মাস থেকে এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ভাবে ডিজিটাল (Paperless) হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক যাত্রীদের ভারতের বন্দরে নামার আগেই পূরণ করতে হবে।
কখন এবং কী ভাবে পূরণ করবেন?
- সময়সীমা: ভারতে পৌঁছানোর ঠিক ৭২ ঘণ্টা আগে এই ফর্মটি জমা দেওয়া যায়। বিমানে ওঠার আগেই এটি সেরে নেওয়া ভালো।
- কিউআর কোড (QR Code): ফর্ম জমা দেওয়ার পর আপনি একটি কিউআর কোড পাবেন। এটি মোবাইলে সেভ করে রাখুন বা প্রিন্ট করে নিন। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে এটি দেখাতে হবে।
কারা এই ফর্ম পূরণ করবেন?
এই বিষয়টি নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী,
- বাধ্যতামূলক: বিদেশি নাগরিক এবং ওসিআই (OCI) কার্ডধারীদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
- প্রয়োজন নেই: ভারতীয় নাগরিকদের (Indian Citizens) এই ফর্ম পূরণ করতে হবে না।
- পরিবার: একটি ফর্মে একই পরিবারের সর্বোচ্চ ৫ জন সদস্যের তথ্য জমা দেওয়া যাবে।
কারা এই ফর্ম পূরণ করবেন?
এই বিষয়টি নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী,
- বাধ্যতামূলক: বিদেশি নাগরিক এবং ওসিআই (OCI) কার্ডধারীদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
- প্রয়োজন নেই: ভারতীয় নাগরিকদের (Indian Citizens) এই ফর্ম পূরণ করতে হবে না।
- পরিবার: একটি ফর্মে একই পরিবারের সর্বোচ্চ ৫ জন সদস্যের তথ্য জমা দেওয়া যাবে।
ফর্ম পূরণ না করলে কী হবে?
ফর্ম পূরণ না করলে ভারত প্রবেশ করার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। বিদেশ থেকে দীর্ঘপথ পেরিয়ে আসা যাত্রীকে ইমিগ্রেশনের লাইনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হতে পারে। ম্যানুয়াল চেকিংয়ের কারণে মূল্যবান সময় নষ্ট হতে পারে।